Supreme Court’s big warning: পথকুকুরের কামড় ও মৃত্যুর দায় রাজ্যেরই !

Published on: January 13, 2026
Supreme Court's big warning

Join WhatsApp

Join Now

পথকুকুরের আক্রমণ নিয়ে কড়া অবস্থান নিল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত (Supreme Court’s big warning) জানিয়ে দিয়েছে, ভবিষ্যতে প্রতিটি পথকুকুরের কামড় ও তাতে মৃত্যুর জন্য রাজ্য সরকারকে ‘ভারী ক্ষতিপূরণ’ দিতে হতে পারে। পাশাপাশি, পথকুকুরকে খাওয়ানো ব্যক্তি বা সংস্থাকেও হামলার জন্য দায়ী করা হতে পারে।

আরও পড়ুন- Supreme Court : ‘কনটেন্টের নামে বাকস্বাধীনতার অপব্যবহার নয়’, কড়া নির্দেশ সুপ্রিমকোর্টের

পথকুকুর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে আদালতের প্রশ্ন-

“পথকুকুরদের কেন অবাধে ঘুরে বেড়াতে দেওয়া হবে, কামড়াবে, তাড়া করবে? যদি আপনারা তাদের খাওয়ান, তাহলে নিজের বাড়িতে রাখুন। রাস্তায় ছেড়ে দিয়ে মানুষকে কামড়াতে দেওয়া কেন?” (Supreme Court’s big warning) সুপ্রিম কোর্ট আরও মন্তব্য করে, কুকুরের কামড়ের প্রভাব আজীবন থাকে। তাই প্রতিটি ঘটনার জন্য দায় নির্ধারণ করা জরুরি।

আদালত আরও প্রশ্ন তোলে-

শিশুর মৃত্যুর দায় কার? “যদি কোনও নির্দিষ্ট সংস্থার খাওয়ানো কুকুরের হামলায় নয় বছরের একটি শিশুর মৃত্যু হয়, তাহলে সেই সংস্থার কোনও দায় থাকবে না? ক্ষতিপূরণ কি তাদের দিতে হবে না?” ‘কুকুরের মেজাজ বোঝা যায় না’ এর আগে, ৭ জানুয়ারির শুনানিতে বিচারপতিরা বলেন, কুকুর কোন মেজাজে আছে, তা আগে থেকে বোঝা অসম্ভব। আদালতের এই মন্তব্য আসে সেই যুক্তির প্রেক্ষিতে, যেখানে বলা হয়েছিল-প্রাণীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করলে তারা আক্রমণ করে না (Supreme Court’s big warning)।

এই প্রসঙ্গে (Supreme Court’s big warning) আবেদনকারীদের পক্ষে সওয়াল করা সিনিয়র আইনজীবী কপিল সিবাল বলেন, “কুকুরদের জায়গায় হস্তক্ষেপ করলে তারা আক্রমণ করে। সহানুভূতি দেখালে করবে না।” তবে বিচারপতি বিক্রম নাথ এর জবাবে বলেন, “বিষয়টা শুধু কামড় নয়, ভয় সৃষ্টি করাও বড় সমস্যা সকালে বেরিয়ে কোন কুকুর কী মেজাজে আছে, সেটা তো জানা যায় না।”

সমাধানের প্রস্তাব ও আদালতের নির্দেশ-

কপিল সিবাল প্রস্তাব দেন, কোনও কুকুর আক্রমণাত্মক হলে তাকে ধরে নির্দিষ্ট কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে নির্বীজন (স্টেরিলাইজেশন) করে ফের রাস্তায় ছেড়ে দেওয়া যেতে পারে। বর্তমানে পথকুকুর ও পথগবাদি পশু সংক্রান্ত মামলা শুনছে বিচারপতি বিক্রম নাথ, সন্দীপ মেহতা ও এন ভি অঞ্জারিয়ার তিন বিচারপতির বেঞ্চ। শহর ও জাতীয় সড়কে পথপ্রাণীর কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আদালত (Supreme Court’s big warning)

উল্লেখ্য, গত বছরের ৭ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়- স্কুল, হাসপাতাল, ক্রীড়াঙ্গন, বাসস্ট্যান্ড ও রেলস্টেশনের মতো প্রতিষ্ঠানিক এলাকা থেকে পথকুকুর সরিয়ে টিকাকরণ ও নির্বীজনের পর নির্দিষ্ট আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর করতে হবে (Supreme Court’s big warning)।