Hubballi Arrest Controversy: ভাইরাল ভিডিও ঘিরে হুবল্লি পুলিশের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন

Published on: January 7, 2026

Join WhatsApp

Join Now

হুবল্লিতে এক নারীকে গ্রেপ্তারের সময় তাঁকে বিবস্ত্র করা হয়েছে—এমন অভিযোগ ঘিরে কর্নাটকে (Hubballi Arrest Controversy) তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগকারিণী একজন বিজেপি কর্মী বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই রাজ্যজুড়ে ক্ষোভ দেখা দেয়।

আরও পড়ুনঃ Communal Tension in Birgunj: ভারত-নেপাল সীমান্তের বীরগঞ্জে কার্ফু জারি

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কেশ্বাপুর থানার আওতায় এই ঘটনাটি ঘটে। এসআইআর ম্যাপিংকে কেন্দ্র করে ১ জানুয়ারি এলাকায় সংঘর্ষের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতেই স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে ওই নারীকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ যায়।

৭ই জানুয়ারি পুলিশ কমিশনার এন. শশীকুমার জানান, গ্রেপ্তারের সময় মহিলা কনস্টেবলরা ওই নারীকে বিবস্ত্র করেননি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত সুজাতা ওরফে বিনয়লক্ষ্মী হান্ডি পুলিশের উপর হামলা চালান এবং পুলিশ ভ্যানে ওঠার পর নিজেই পোশাক খুলে ফেলেন। পরে পরিস্থিতি (Hubballi Arrest Controversy) সামাল দিতে মহিলা কনস্টেবলরা স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁকে ঢাকার জন্য কাপড় নিয়ে আসেন বলে জানান তিনি।

পুলিশ কমিশনার আরও বলেন, ঘটনার সময় সুজাতার হামলায় চারজন কনস্টেবল আহত হন। এমনকি তিনি একজন কনস্টেবলকে পেটে কামড় দেন বলেও অভিযোগ। শশীকুমারের দাবি, এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সুজাতার বিরুদ্ধে হামলার (Hubballi Arrest Controversy) অভিযোগে মোট তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। ৫ জানুয়ারি প্রশান্ত বোম্মাজি নামের এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করতে গিয়েই এই ঘটনার সূত্রপাত হয়। বর্তমানে সুজাতাকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে বিজেপির তরফে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজেপি বিধায়ক মহেশ তেঙ্গিনাকাই অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেস কাউন্সিলর সুবরর্ণা কল্লাকুন্তলার প্রভাবেই পুলিশ অমানবিক আচরণ করেছে (Hubballi Arrest Controversy)। তিনি দায়িত্বে থাকা সমস্ত পুলিশকর্মীর অবিলম্বে সাসপেনশন এবং নিরপেক্ষ তদন্ত শুরুর দাবি জানিয়েছেন।