Kalyan Bandopadhyay : দলের মহিলা সাংসদরা চুপ কেন? শতাব্দী-মহুয়াকে ঘিরে বিস্ফোরক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

Published on: August 31, 2025

Join WhatsApp

Join Now

২৪ আওয়ার্স টিভি ডেস্ক : দিদি, অভিষেকের কাছে ফিল্টার হয়ে অনেক কথা যায়,সব কথা যায়না,সংসদে আমাকে হুমকি দেওয়া হলে দলের মহিলা সাংসদরা চুপ করে বসে থাকে,আবার বিস্ফোরক কল্যাণ বন্দোপাধ্যায় ।কিছুদিন আগে কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের সঙ্গে শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছিল শ্রীরামপুরে এমন কথা বলেছিলেন তিনি একজন মহিলাকেই হেট করেন এ হলো মহুয়া মৈত্র।এরপর জল অনেক দূর গড়ায়।দলের চাপে তাকে চিপ হুইপ পদ থেকে পদত্যাগ করতে হয়।তার জায়গায় কাকলি ঘোষ দোস্তিদারকে লোকসভার চিপ হুইপ করে দল।ডেপুটি লিডার করা হয় শতাব্দী রায় কে।দলের স্পস্ট বার্তা মহিলাদের অগ্রাধিকার।কল্যান জানিয়ে দেন তার অনেক মামলা আছে সুপ্রিম কোর্টে সেগুলো নিয়ে তিনি ব্যস্ত থাকতে চান।

কয়েকদিন চুপ থাকার পর আবার দলের মহিলা সাংসদদের দিকে আঙুল তুললেন তিনি।আজ শ্রীরামপুরে সাংসদ বলেন,রমেশ বিধুরী মহুয়া সম্পর্কে যে বাজে বাজে কথা বলেছে সেগুলো গ্রহণযোগ্য না।এগুলো গ্রহণযোগ্যতার মধ্যে পড়ে না।মহুয়ার ন্যায় কি অন্যায় সে নিয়ে আমি কোনো কথা বলবো না।রমেশ বিধুরী যেটা বলেছে সেটা কখনো গ্রহণযোগ্য নয়।ঠিক একই সময়ে সংসদে দাঁড়িয়ে রাজিব প্রতাপ রুডি মহুয়াকে সমর্থন করতে গিয়ে আমাকে থ্রেট করেছিল।সেখানে শতাব্দী রায় ডেপুটি লিডার উপস্থিত ছিলেন।সেদিনকে ডেপুটি লিডারও রাজীব প্রতাপ রুডিকে কিছু বলেনি আর মহুয়া তো বলবেই না ছেড়ে দিন।আমার বক্তব্য হচ্ছে এখন রাজিব প্রতাপ রুডি কি বলছে।

আমাকে যখন অ্যাটাক করা হচ্ছে তখন তৃণমূলের মহিলা মহল সব চুপ করে বসে থাকে।বিজেপি আক্রমণ করছে কিন্তু তখন মহিলা এমপিরা সব চুপ করে বসে থাকে।তখন দলের একজন এমপি কে যে সমর্থন করতে হয় সেটা করে না।সেদিন এসপির লোকগুলো আমাকে সমর্থন করেছিল।দিদি আর অভিষেকের কাছে তো ফিল্টার হয়ে অনেক কথা যায় সব কথা তো আর যায় না।একজন ডেপুটি লিডার কি করে দাঁড়িয়ে দেখলো যে তার দলের একজন এমপি কে রাজিব প্রতাপ রুডি থ্রেট করছে।আমি যখন চিফ হুইপ ছিলাম তখন বিষ্ণুপদ রায় আমাদের একজন এমপিকে কি বলতে এসেছিল আমি বলেছিলাম জিভ ছিঁড়ে নেব একদম।