রাঁচির জেএসসিএ স্টেডিয়ামে রবিবার প্রথম ওয়ানডেতে যেন একাই ম্যাচের রূপ পাল্টে দিলেন বিরাট কোহলি ( Virat Kohli’s Century ) । চাপের মুহূর্তে তাঁর ব্যাটিং ছিল আগ্রাসী, আত্মবিশ্বাসী এবং নিখুঁত , যার ফলস্বরূপ উঠে এল ক্যারিয়ারের ৫২তম ওয়ানডে শতরান ; ১২০ বলে ১৩৫ রানের তাঁর ইনিংস রাঁচির দর্শকদের পাগল করে দেয়, এমনকি শতরান পূর্ণ হওয়ার পর এক সমর্থক নিরাপত্তা ভেঙে মাঠে প্রবেশ বিরাট কোহলির (Virat Kohli’s Century) সামনে পড়ে যায় ; সেই মুহূর্তই প্রমাণ করে দেন ‘কিং কোহলি’-র ( Virat Kohli’s Century ) প্রতি দেশের জনগনের আবেগ ঠিক কতটা গভীর।
Read More : Stranger Things Season 5 : দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান মুক্তি পেয়েছে ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস সিজন ৫’-এর প্রথম ভলিউম।
রোহিত শর্মার অর্ধশতক সত্ত্বেও ভারত দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারায়, কিন্তু অপর প্রান্তে কোহলি (Virat Kohli’s Century) ছিলেন মেরুদণ্ডের মতো। রোহিতের সঙ্গে ১৩৬ রানের জুটি ভারতের ইনিংসের ভিত্তি গড়ে তোলে এবং ৫৭ রান করলেও আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন কোহলি ( Virat Kohli’s Century ) ; তারই ছন্দে ভারত ( India ) পা রাখে বড় রানের দিকে । পরবর্তীতে কেএল রাহুল ( K.L. Rahul ) ৬০ রানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন এবং ভারতের ইনিংস শেষ হয় ৩৪৯/৮-এ , রোহিত এদিন ছক্কার নতুন ইতিহাসও লেখেন ৩৫২ তম ছক্কা হাঁকিয়ে ছাড়িয়ে যান শাহিদ আফ্রিদিকে।
Read More : Tere Ishq Main : প্রেম নাকি আসক্তি ? ধনুষের রুদ্র রুপে জ্বলছে ” Tere Ishq Main ”
ম্যাচের শেষভাগেও কোহলির (Virat Kohli’s Century) প্রভাব ছড়িয়ে ছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের মধ্যে একসময় মনে হয়েছিল তারা ম্যাচে ফিরে আসছে, বিশেষ করে জ্যানসেনের ২৬ বলের হাফ-সেঞ্চুরি ও ব্রিটস্কের ৭২ রান দলের আশা জাগায়। কিন্তু ঠিক সেখানেই ভারতের বোলারদের চাপে ভেঙে পড়ে প্রোটিয়াসদের ব্যাটিং। কুলদীপ যাদব পরপর গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন ; হর্ষিত রানা প্রথম ওভারেই দুই উইকেট নিয়ে ম্যাচ ভারতমুখী করেন। শেষ ওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ১৮ রান ডিফেন্ড করে ভারতকে নিশ্চিত জয় এনে দেন। দক্ষিণ আফ্রিকা (South Africa) শেষ পর্যন্ত অলআউট হয় ৩৩২ রানে এবং ভারত জিতে নেয় ম্যাচ ১৭ রানে।
Read More : M.S Dhoni & Virat Kohli : ধোনি-কোহলির নস্টালজিয়া ও বন্ধনের ছবি ভাইরাল
কোহলির (Virat Kohli’s Century) সেঞ্চুরি শুধু এই ম্যাচই নয়, ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসেও (Indian Cricket History ) নতুন অধ্যায় লিখল। এই ইনিংসের মাধ্যমে তিনি একক ফরম্যাটে সর্বাধিক শতরানের রেকর্ডে শচীন তেন্ডুলকারকেও (Sachin Tendulkar) ছাড়িয়ে গেলেন। কোহলির (Virat Kohli’s Century) ব্যাট থেকে বেরোনো প্রতিটি শটই ছিল আত্মবিশ্বাসের প্রতীক, আর রাঁচির আকাশে প্রতিধ্বনিত হওয়া ‘কোহলি, কোহলি’ স্লোগান যেন তাঁর রাজত্বের সাক্ষী হয়ে রইল।
এই জয়ের ফলে ভারত তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল, আর ম্যাচের ‘নিঃসন্দেহ নায়ক’ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে রইলেন বিরাট কোহলির যিনি রাঁচিতে আবার প্রমাণ করলেন কেন তাঁকে ক্রিকেট দুনিয়া ‘কিং কোহলি’ বলে ডাকে।
