২৪ আওয়ার্স টিভি ডেস্ক : আজ মায়াপুর ইস্কনের প্রধান কেন্দ্র শ্রীধাম মায়াপুর সহ বিশ্বের সমস্ত শাখা কেন্দ্রে শ্রীমতি রাধা রানীর শুভ আবির্ভাব তিথি মহোৎসব রাধাষ্টমী ব্রত যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও রীতি নীতি মেনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে জাঁকজমক সহকারে পালন করা হয়।প্রতি বছরের মতো এইবছরও শ্রীমতি রাধারানীর আবির্ভাব মহোৎসব রাধাষ্টমী পালন করা হচ্ছে মহাসমারোহে মায়াপুর ইস্কন মন্দিরে।আর এই রাধাষ্টমী মহোৎসব উপলক্ষ্যে নদীয়ার মায়াপুর ইস্কন মন্দির প্রাঙ্গণ ফুল ও আলোকমালায় সুসজ্জিত করা হয়ে থাকে। যেখানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে দেশ ও বিদেশের বহু ভক্তরা এই উৎসবে অংশগ্রহণ করেন।এদিন মায়াপুর ইস্কন মন্দিরে আগত দেশ ও বিদেশের ভক্তদের নিরাপত্তার জন্য মন্দির ও সংলগ্ন এলাকা কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়।এই বিষয়ে মায়াপুর ইস্কন জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস মহারাজ জানান, রাধা এবং কৃষ্ণ এক ও অভিন্ন।
দুই-এক,একে দুই,দুইজনেই সমান।যেমন দুধ এবং তার ধবলত্ব,অগ্নি এবং তার দাহিকা শক্তি,শক্তি এবং শক্তিমান অভেদ করা যায় না তদ্-রূপ রাধাকৃষ্ণ এক আত্মা, দুই তনু ধারী।ভগবান যুগে,যুগে ধরাধামে অবর্তীর্ণ হন বিভিন্ন লীলা বিলাসের জন্য।যেমন ক্রেতা যুগে ভগবান শ্রীরামচন্দ্র লীলা সঙ্গিনী রূপে সীতাদেবীকে নিয়ে আবির্ভূত হয়েছিলেন।তেমনি দ্বাপরযুগে পরমেশ্বর শ্রীকৃষ্ণ শ্রীমতি রাধারানীকে নিয়ে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। তিনি আরো বলেন ৫২৫২ বছর আগে শ্রীমতি রাধারানী ভাদ্রমাসের শুক্লাষ্টমী তিথিতে সোমবার মধ্যাহ্নকালে রাভেল নামক গ্রামে বৃষভানু রাজার গৃহে কীর্তিদা দেবীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।শ্রীকৃষ্ণের প্রতি রাধারানীর ভালোবাসা ও তাঁর প্রতি যে আকর্ষণ সেটি ছিল বিশুদ্ধ প্রেম।এই বিশুদ্ধ প্রেমের কনামাত্র মানবকূল গ্রহণ করতে স্বক্ষম হলে ত্রিলোক ধন্য হবে।বর্তমান বিশ্বসংকটে নরনারীর যৌথ মিলিত শক্তিতে নব জাগরণ ঘটুক মানব সমাজে, একপ্রকার বলা যেতেই পারে যে রাধাষ্টমী তৃতীয় বছর উপলক্ষে সুসজ্জিত হয়ে উঠেছে নদীয়ার মায়াপুর ইস্কন চন্দ্রোদয় মন্দির সহ ইস্কন ধরাধাম।
