Operation Sindoor Imapct: ৩৬ ঘণ্টায় ৮০ ড্রোন, নুর খান এয়ারবেসে ক্ষতির কথা স্বীকার পাকিস্তান

Published on: December 29, 2025

Join WhatsApp

Join Now

আট মাস পর অবশেষে ভারতের ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর (Operation Sindoor Imapct) অভিঘাত স্বীকার করল পাকিস্তান। ২০২৫ সালের মে মাসে ভারতীয় সেনার চালানো কৌশলগত হামলায় রাওয়ালপিন্ডির নুর খান বিমানঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল—এই তথ্য প্রথমবার প্রকাশ্যে মেনে নিল ইসলামাবাদ।

পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার এক বছরশেষের সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, মাত্র ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে অন্তত ৮০টি ভারতীয় ড্রোন পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশ করে। তাঁর দাবি, এর মধ্যে ৭৯টি ড্রোন প্রতিহত করা সম্ভব হলেও একটি ড্রোন নুর খান এয়ারবেসে আঘাত হানে (Operation Sindoor Imapct), যাতে সামরিক পরিকাঠামোর ক্ষতি হয় এবং কিছু সেনা জখম হন। দার বলেন, “ভারত নুর খান বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে ভুল করেছে। এর পরেই পাকিস্তান পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানাতে বাধ্য হয়।”

আরও পড়ুনঃ MGNREGA to Rebranded Schemes: কল্যাণ প্রকল্পের রুপান্তরের রাজনীতি

সরকার জানায়, ২৬ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় ২৬ জন নিরীহ নাগরিক নিহত হওয়ার প্রতিশোধ হিসেবেই ৭ মে ভোরে অপারেশন সিন্দুর (Operation Sindoor Imapct) শুরু হয়। চার দিন ধরে চলা এই সীমিত কিন্তু তীব্র সামরিক সংঘর্ষে দু’দেশই উচ্চ সতর্কতায় ছিল।

এই মন্তব্যকে কূটনৈতিক মহলে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ সংঘর্ষের সময় পাকিস্তান সরকার বারবার ভারতের হামলার (Operation Sindoor Imapct) প্রভাব খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করেছিল। ইশাক দারের সাম্প্রতিক বক্তব্য সেই অবস্থান থেকে স্পষ্ট সরে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

তিনি আরও দাবি করেন, মে মাসের সংঘর্ষে পাকিস্তান নাকি ভারতের সাতটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে, যদিও এই দাবির পক্ষে কোনও প্রমাণ পেশ করা হয়নি।

ইশাক দার এও জানান, ভারত-পাক সংঘর্ষে পাকিস্তান (Operation Sindoor Imapct) কখনও মধ্যস্থতার আবেদন জানায়নি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিও এবং সৌদি বিদেশমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সল বিন ফারহান নিজেদের উদ্যোগে যোগাযোগ করেছিলেন।

দারের দাবি, ১০ মে সকাল ৮টা ১৭ মিনিটে রুবিও তাঁকে ফোন করে জানান, ভারত যুদ্ধবিরতিতে আগ্রহী। পরে সৌদি বিদেশমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে কথা বলে যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগেই পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারি প্রকাশ্যে জানান, সংঘর্ষ (Operation Sindoor Imapct) শুরুর পর তাঁর সামরিক সচিব তাঁকে বাঙ্কারে আশ্রয় নিতে বলেছিলেন। যদিও তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।জারদারি বলেন,“নেতারা বাঙ্কারে মারা যান না, তাঁরা যুদ্ধক্ষেত্রেই মৃত্যুবরণ করেন।

এই মন্তব্য ইসলামাবাদের ক্ষমতার কেন্দ্রগুলিতে সেই সময় কতটা আতঙ্ক ছড়িয়েছিল, তার স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়।

সাম্প্রতিক উপগ্রহচিত্রে দেখা গেছে, নুর খান বিমানঘাঁটিতে পুনর্গঠনের কাজ চলছে। ইসলামাবাদ থেকে মাত্র ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই ঘাঁটি পাকিস্তান বিমান বাহিনীর (Operation Sindoor Imapct) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

ভারত সরকার এখনও স্পষ্ট করে জানায়নি কোন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছিল। তবে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রহ্মোস অথবা ফরাসি স্ক্যাল্প ক্ষেপণাস্ত্র (বা দু’টিই) ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। ব্রহ্মোস নিক্ষেপ করা হয়েছিল সু-৩০ যুদ্ধবিমান থেকে এবং স্ক্যাল্প ব্যবহার করা হয় রাফাল থেকে।