CHUNCHURA: চুঁচুড়ায় কুণাল ঘোষ এর বক্তব্যে কেন্দ্রের দায়িত্বের ব্যার্থতার অভিযোগ

Published on: August 10, 2025

Join WhatsApp

Join Now

২৪ আওয়ার্স টিভি ডেস্ক : চুঁচুড়ায় কুনাল ঘোষ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিমান বন্দরে বাংলাদেশী ধৃত প্রসঙ্গে বলেন বিমানবন্দরে বাংলাদেশি ধরা পড়ে থাকলে তার দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের।কারণ জল স্থল অন্তরীক্ষ তিনটেই হল কেন্দ্রীয় সরকারের আওতাভুক্ত।মাস দুয়েক আগে আগরতলাতে ধরা পড়েছিল বাংলাদেশি রোহিঙ্গা।এখন বলছেন কলকাতা থেকে ধরা পড়েছে।এরা ঢুকলো কোথা থেকে ত্রিপুরা থেকে?এটা সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের দায়িত্ব। বিএসএফ এবং অন্যান্য এজেন্সি তাদের দায়িত্ব। কেন সীমান্ত সুরক্ষিত রাখতে পারছে না। গতকাল পুলিশ অভয়ার মাকে কোনো রকম আঘাত করেনি। বিজেপি দায়িত্বজ্ঞানহীন পরিকল্পিতভাবে মা-বাবাকে সামনে নিয়ে গেছে। আমি আগেই বলেছিলাম ওরা নানারকম অভিযোগ এবং নাটক করবে। এত ক্যামেরা ,চ্যানেল ,চিত্র সাংবাদিক , সোশ্যাল মিডিয়া একটা ছবি কেউ পেলেন না যেখানে সব ক্যামেরা তাদের দিকেই তাক করা ছিল।শুভেন্দু অধিকারী সব সীমা লঙ্ঘন করে যাচ্ছে।

চরম অশালীন কুৎসা মূলক কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রীকে এবং পুলিশ কমিশনারকে।এর দায় শুধু শুভেন্দু অধিকারীর নয়,এর দায় বিচারপতিরও,তিনি বারবার অন্যায় ভাবে তাকে রক্ষাকবচ দিয়ে মাথায় তুলেছেন।অভয়ার মাকে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি না হতে চাপ প্রসঙ্গে বলেন,এর আগেও তো ওনারা অনেক মিছিলে গেছেন হঠাৎ বিজেপির মিছিলে গিয়ে আহত হলেন কেন?এর আগে অভয়া মঞ্চ প্রশ্নটা তুলেছে।ওনারা ওদের মেয়ে হারিয়েছেন-ওনাদের প্রতি পূর্ণ সহমর্মিতা আছে।একটা কোন ছবি পাওয়া যায়নি পুলিশ আঘাত করেছে বা অসম্মান করেছে। বিজেপির বিরোধী দলনেতার এটা লজ্জা।আমাদের আমন্ত্রণে যদি আমার বাবা-মা যেতেন আমরা তাদের বুক দিয়ে আগলে রাখতাম।ছবি তুলিয়ে সেটা দিয়ে প্রচার পেতে যেতাম না।কালকে শুভেন্দু বাবু একা পড়ে গেলেন কেন? সুকান্ত, শমীক, দিলীপ, কেউ আসেনি।বিজেপির অন্তরে কান পাতলে অনেক কিছু শোনা যাচ্ছে।কালকে পুলিশ আক্রান্ত হয়েছে।তাদের ধন্যবাদ প্রাপ্য আরো কোন প্ররোচনায় তারা পা দেয়নি, অসংযত হয়নি।পুলিশ অত্যন্ত সংযত ভূমিকা পালন করেছে।পুলিশ আক্রান্ত হলেও কখনোই পাল্টা আঘাত করেনি।বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতে কি দেখি,পুলিশ তান্ডব করে দিচ্ছে।বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রীর দুটি এপিক প্রসঙ্গে বলেন,আমরাও চাই নিখুঁত ভোটার লিস্ট।অন্য রাজ্য থেকে গাদা লোক এনে ভোটার লিস্টে নাম ঢুকিয়ে দেওয়া হল এটা করা যাবে না।কোন বৈধ ভোটারকে হেনস্তা করা যাবে না।নবান্ন অভিযান হলো একটা দ্বিচারিতা।হাইকোর্ট বলেছিল শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে।অথচ দেখা গেল কি,সাঁতরাগাছি তে ইট নিয়ে হেঁটে যাচ্ছে তালা ভাঙছে।