আইটিআর রিফান্ড দেরি (ITR Refund Delays)- নিয়ে এ বছর বহু করদাতা উদ্বিগ্ন হলেও অনলাইনে স্ট্যাটাস চেক করলেই সহজে জানা সম্ভব রিফান্ডের বর্তমান অবস্থা। এতে যেমন সময় বাঁচে, তেমনই মানসিক স্বস্তিও পাওয়া যায়। সাধারণত অতিরিক্ত কর প্রদান করা হলে বা টিডিএস কেটে নেওয়া টাকার পরিমাণ করযোগ্য আয়ের চেয়ে বেশি হলে করদাতারা আয়কর রিফান্ড পাওয়ার যোগ্য হন।
সাধারণত ITR ই-ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হওয়ার পর ৪ থেকে ৫ সপ্তাহের মধ্যেই রিফান্ড ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যায়। তবে তার বেশি দেরি হলে রিটার্ন (Tax Refund Delay)-এ কোনও ভুল তথ্য আছে কি না, ইনকাম ট্যাক্স বিভাগের কোনও নোটিস এসেছে কি না বা রিফান্ড স্ট্যাটাসে কোনও সমস্যা দেখাচ্ছে কি না-এসব অবশ্যই পরীক্ষা করা প্রয়োজন (ITR Refund Delays)। রিফান্ড দেরি হওয়ার পেছনে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট প্রি-ভ্যালিডেট না থাকা, PAN ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নামে অমিল, ভুল IFSC কোড, বন্ধ অ্যাকাউন্ট উল্লেখ করা বা PAN-Aadhaar লিঙ্ক না থাকার মতো কারণ থাকতে পারে।
প্যান ব্যবহার করে ITR রিফান্ড স্ট্যাটাস কীভাবে চেক করবেন?
Home Page → Taskbar → e-File → Income Tax Returns → View Filed Returns
4.
Check Refund Status
View Assessment Year-wise filing timeline & Refund Status
TIN ওয়েবসাইটে PAN ব্যবহার করে রিফান্ড স্ট্যাটাস দেখার নিয়ম–
অনলাইনে রিফান্ড স্ট্যাটাস দেখতে করদাতারা PAN ব্যবহার করে ই-ফাইলিং ওয়েবসাইটে লগ ইন করে ‘View Filed Returns’ সেকশনে গেলেই নির্দিষ্ট অ্যাসেসমেন্ট ইয়ার অনুযায়ী রিফান্ডের অগ্রগতি দেখতে পারেন। একইভাবে TIN ওয়েবসাইটেও PAN ও অ্যাসেসমেন্ট ইয়ার দিয়ে দ্রুতই রিফান্ডের অবস্থা জানা যায়। রিফান্ডের অবস্থা জানা যায় (Tax Refund Delay)।
Enter PAN Number & Assessment Year → Click Proceed
3.
View Status
Instantly see your Refund Status on the screen
রিফান্ড স্ট্যাটাসেও বিভিন্ন বার্তা দেখা যায় (ITR Refund Delays), যেমন- ‘Submitted and pending for e-verification’ মানে রিটার্ন জমা হলেও এখনও ই-ভেরিফাই হয়নি। ‘Successfully e-verified’ দেখালে বোঝায় রিটার্ন জমা ও ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হলেও প্রসেসিং শুরু হয়নি। ‘Processed’ স্ট্যাটাস রিটার্ন সফলভাবে প্রক্রিয়াকৃত হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। আবার কোনও তথ্যগত ভুল থাকলে ‘Defective’ স্ট্যাটাস দেখিয়ে 139(9) ধারায় নোটিস পাঠানো হয়। কিছু ক্ষেত্রে রিটার্ন ‘Case transferred to AO’ হয়ে অ্যাসেসিং অফিসারের কাছে চলে যায়, যেখানে প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য করদাতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।