NADIA :ভুয়ো ব‍্যাঙ্কের ফাদে অসহায় দরিদ্র মানুষ টাকা নিয়ে চম্পট ব‍্যাঙ্কের মালিক

Published on: August 14, 2025

Join WhatsApp

Join Now

২৪ আওয়ার্স টিভি ডেস্ক : এবারে,ভুয়ো ব‍্যাঙ্কের ফাদে অসহায় দরিদ্র মানুষেরা, লক্ষাধিক টাকা নিয়ে চম্পট ব‍্যাঙ্কের মালিক,প্রতারিত হত্তয়া মানুষদের জনরোষের মুখে ব‍্যাঙ্কের এজেন্ট।।তদন্তে নদীয়ার রানাঘাট ধানতলা থানার পুলিশ প্রশাসন।কেউ বিক্রি করে চপ,আবার, কারোর বা ছোট্টো মুদির দোকান।যা বেচা কেনা হয়, কোনোরকম ভাবে চলে যায সংসার,আর তার থেকেই কিছু কিছু করে বাচিয়ে ভবিষ্যতেের জন্য সঞ্চয় করতে চেয়েছিলেন তারা।কিন্তু,সেই কারণেই এক এজেন্টের ভরসায় দিনের পর দিন কষ্ট করে গোছানো টাকা টাকা গুলো প্রতিদিন তুলে দিতেন নদীয়ার বহিরগাছির লিটা গ্রামীণ উন্নয়ন নিধি লিমিটেড ব্যাঙ্কের এজেন্ট মমতা বারুইয়ের হাতে।।তবে,এই ভাবে বেশকিছু দিন চলার পরেই ওই ব্যাঙ্কের কর্মীরা প্রতিদিনের মতো ব্যাঙ্কে গিয়ে দেখেন ব্যাঙ্কে তালা লাগিয়ে চম্পট দিয়েছেন ব্যাঙ্কের মালিক স্বপন বিশ্বাস।এরপর সেই কথা জানাজানি হতেই মাথায় হাত পরেছে যেনো এই এই টাকা তুলে দেওয়া অসহায় মানুষ গুলোর মাথায় ।

কারোর পচিশ হাজার,কারোর আবার ৩০ হাজার,এবং কারোর বা ৭৫ হাজার টাকা জমে ছিলো ব্যাঙ্কের বইতে,কিন্তু,আজ সকাল হতেই তারা পৌঁছে যায় বহিরগাছি তে।।সেখানে গিয়ে জানতে পারেন,এই রকম বহু মানুষকে পথে ভাসিয়ে আনুমানিক প্রায় ১২ কোটি টাকা নিয়ে গায়েব হয়ে গেছে এই ব্যাঙ্কের মালিক স্বপন বিশ্বাস।তবে,জানা যায়,স্বপন বিশ্বাস ভারতের নাগরিক নয়।তার কাছে ভারতের ভোটার কার্ড এবং আধার কার্ড কিছুই ছিলো না।সে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসে রাজস্থানে গিয়ে কোয়াক ডাক্তারী করতেন বলে অভিযোগ অসহায় দরিদ্র পরিবারের মানুষগুলোর,তবে,প্রতিবেশী দের কাছে থেকে জানা যায় রাজস্থানেও মানুষের সাথে প্রতারণা করার ফলে ওখানকার মানুষের হাতে মার খেয়ে মেয়ে এবং বৌ,কে নিয়ে বহিরগাছিতে পালিয়ে এসে মেয়ের নাম দিয়ে তৈরি করে বসে লিটা গ্রামীণ উন্নয়ন নিধি লিমিটেড ব্যাঙ্ক চালাতেন প্রতারক স্বপন বিশ্বাস।এবং আরো জানা যায়,স্বপন বিশ্বাসের প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পায়নি তার আত্মীয়-স্বজনেরাও,আজ সকালে প্রতারিত হওয়া কিছু মহিলা ওই ব্যাঙ্কের এজেন্ট মমতা বারুইয়ের এর বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে এলাকাবাসী।তবে,মমতা বারুই জানান,সবাই মিলে এক সাথে স্বপন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করুন,এরপর খবর দেওয়া হয়,লোকাল থানায়, খবর পাওয়ার পরে ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হয় লোকাল থানার পুলিশ প্রশাসন,এরপর নদীয়ার ধানতলা থানার পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতায় ব‍্যাঙ্কের এজেন্ট মমতা বারুই কে প্রতারিত হত্তয়া এলাকাবাসীদের হাত থেকে উদ্ধার করে জিজ্ঞাসাবাদের জন‍্যে নিয়ে যাওয়া হয় থানায়।।এখন দেখার যে গ্রামের মানুষের করে জমানো টাকা আদৌত্ত ফেরত পাই কি না ?।গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে ধানতলা থানার পুলিশ প্রশাসন।।