২৪ আওয়ার্স টিভি ডেস্ক (নিশা)ঃ প্রয়োজনে কিস্তিতে দেওয়া হোক ডি এ” এমনটাই বুধবার সুপ্রিম কোর্টে এর ডি এ শুনানিতে জানায় মামলাকারীদের পক্ষের আইনজীবী” পি এস পাটিয়ালিয়া”। বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি পিকে মিশ্রর বেঞ্চের আইনজীবী বলেন, “এআইসিপিআই প্রতি মাসে পরিবর্তন হয়। প্রতি মাসে সম্ভব নয় ডিএ পাল্টানো । এই কারণবশত কেন্দ্রীয় সরকার দু’বার ডিএ দেয় বছরে। আগে রাজ্য সরকারও দু’বার ডিএ দিত বছরে। পরবর্তীতে একবার ডিএ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার । কিন্তু এখন ডিএ দেওয়ার কোনো কথা বলতেই রাজি নয় রাজ্য।’’
রাজ্য সরকারকে সুপ্রিম কোর্ট এর প্রশ্ন ,”ঠিক সময়ে ডি এ দেওয়া হয়নি কেন। এদিন মামলাকারী কর্মীদের আইনজীবী গোপাল চট্টোপাধ্যায় বলেন “ডি এ ” কোনো দয়া নয় এটি বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় অন্তর দেওয়া বাধ্যতামূলক ,এটি সরকারি কর্মচারীদের অধিকার।
সরকারি কর্মীদের আইনজীবী জানান, “২০০৯ সালের রিভাইজড পে অ্যান্ড অ্যালোয়েন্স রুলস হিসেবে ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ডিএ প্রযোজ্য হওয়ার কথা। এদিকে ২০০৮ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময়ের বকেয়াই দিতে চাইছে না রাজ্য সরকার। ” তিঁনি জানান, “নয়াদিল্লির বঙ্গভবন ও চেন্নাইয়ের ইউথ হোস্টেলে কর্মরতদের এআইসিপিআই সূচক অনুযায়ী কেন্দ্রীয় নিয়মেই ডিএ দেওয়া হচ্ছে। অথচ, পশ্চিমবঙ্গে কর্মরত সরকারি কর্মীদের তা দেওয়া হচ্ছে না।”
কীভাবে একই নিয়মে নিযুক্ত কর্মচারীদের একাংশকে বেশি ও অন্য অংশকে কম দেওয়া হচ্ছে সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। গোটা বিষয়টি সমতার অধিকারে লঙ্ঘন বলেও উল্লেখ করেন আইনজীবী। বুধবারের মতো ডিএ মামলার শুনানি শেষ হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হবে।
