২৪ আওয়ার্স টিভি ডেস্ক (উদিতা)ঃ গোড়ালিতে চোটের কারণে এদিন খেলেননি সৌভিক চক্রবর্তী। কার্ড সমস্যায় ছিলেন না দেবজিৎ মজুমদার ও সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। সুমন দে-ও পুরোপুরি ফিট ছিলেন না। যদিও মাঠে তাঁদের অভাব বুঝতে দিলেন না পিভি বিষ্ণু, ডেভিডরা। বৃহস্পতিবার শুরু থেকেই তুল্যমূল্য লড়াইয়ে খেলা জমে ওঠে। দুই দলই বেশ কিছু সুযোগ অর্জন করে। ২৯ মিনিটে ইউনাইটেড কলকাতাকে এগিয়ে দিতে পারতেন সমীর বায়েন। লাল-হলুদ গোলকিপারকে একা পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন তিনি। যদিও এক্ষেত্রে ইস্টবেঙ্গল গোলকিপারের প্রশংসা করতে হয়। তিনি এগিয়ে এসে সমীরের নেওয়া শট রুখে দেন।এবার পালা ইস্টবেঙ্গলের। ম্যাচের বয়স তখন ৩৬ মিনিট। বিষ্ণুকে দুর্দান্ত বল বাড়িয়েছিলেন ডেভিড। এক্ষেত্রে গোলকিপারকে একলা পেয়েও গোল করতে পারলেন না বিষ্ণু। ৩৯ মিনিটে আমন সিকে সুযোগ হারান। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে (৪৫+২) আমন সিকের ভাসানো বল থেকে নসিব রহমানের গোলে এগিয়ে যায় মশাল ব্রিগেড।
প্রথমার্ধে তুল্যমূল্য ম্যাচ হলেও দ্বিতীয়ার্ধে খেলার রাশ নিজেদের অনুকূলে রাখে বিনো জর্জের ছেলেরা। ৪৮ মিনিটে ফ্রিকিক থেকে বিশ্বমানের গোল করে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পিভি বিষ্ণু। পরের মিনিটেই সুযোগ পেয়ে গিয়েছিলেন মনোতোষ মাঝি। এরপর গোল লাইন সেভও হয়। দ্বিতীয়ার্ধের সিংহভাগ সময় আক্রমণমুখী ইস্টবেঙ্গলকে রুখতে হিমশিম খেতে দেখা যায় ইউনাইটেড কলকাতার রক্ষণভাগের ফুটবলাররা। ৬৮ মিনিটে গুইতের গোলে ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। সেটাই ছিল জয়সূচক গোল।কলকাতা লিগের সুপার সিক্সের অপর ম্যাচে সুরুচি সংঘের বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে ডায়মন্ড হারবার এফসি। ১৬ মিনিটে তাদের এগিয়ে দেন শৈবোরলাং খার্পন। ৩৭ এবং ৪০ মিনিটে আরও দু’টি গোল করেন আকিব নবাব। ৭০ মিনিটে অমরনাথ বাসকের গোলে ৪-০ গোলে এগিয়ে যায় ডায়মন্ড হারবার।
