Cyclone: ‘সেনিয়ার’ পর এবার ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়া !

Published on: November 27, 2025
Cyclone

Join WhatsApp

Join Now

ঘূর্ণিঝড় (Cyclone) সেনিয়ার ভারতীয় উপকূল থেকে সরে গেলেও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া আরেকটি নিম্নচাপ দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করে নতুন ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। ভারতের আবহাওয়া দফতর (IMD) জানিয়েছে, এই নতুন ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘দিতওয়াহ’, যা ইয়েমেনের দেওয়া নাম। আগামী ৩০ নভেম্বর ভোরের দিকে তামিলনাড়ু, পুদুচেরি ও দক্ষিণ আন্ধ্র প্রদেশের উপকূলের কাছে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে এই ঘূর্ণিঝড়ের।

আরও পড়ুন- Fighter jet Crashes: দুবাই এয়ার শো-তে ভয়াবহ দুর্ঘটনা

ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়া-

আইএমডির সর্বশেষ এক্স পোস্ট অনুযায়ী, ডিটওয়া দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে 6.9°N/81.9°E বিন্দুর কাছে গঠিত হয়েছে (Cyclone)। এটি পোত্তুভিলের নিকটবর্তী, বাট্টিকালে থেকে প্রায় ৯০ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্বে এবং চেন্নাই থেকে প্রায় ৭০০ কিমি SSE অবস্থানে ছিল। সিস্টেমটি উত্তর-উত্তরপশ্চিমমুখী হয়ে ধীরে ধীরে উপকূলের দিকে এগোবে। আইএমডি তামিলনাড়ুর বেশ কয়েকটি জেলা- চেন্নাই, নাগাপট্টিনম, তিরুভাল্লুর, তাঞ্জাভুরসহ অন্যান্য এলাকায়- ২৭, ২৮ ও ২৯ নভেম্বরের জন্য হলুদ ও কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

বিরল ঘূর্ণিঝড় সেনিয়ার-

এরই মধ্যে, স্ট্রেইট অব মালাক্কায় তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় (Cyclone) সেনিয়ার বিশেষজ্ঞদের মতে এক “অত্যন্ত বিরল” একটি ঘূর্ণিঝড়। মালাক্কা প্রণালী মালয়েশিয়া ও সুমাত্রার মাঝখানে একটি সরু জলপথ, যার উত্তর-পশ্চিম প্রান্ত আন্দামান সাগরের সঙ্গে যুক্ত। সাধারণত এই অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় গঠনের নজির নেই।

মেটমালয়েশিয়ার মহাপরিচালক মোহদ হিশাম মোহদ আনিপ জানিয়েছেন, ২০১৭ সালে পেনাং-এ একটি ট্রপিক্যাল ডিপ্রেশন দেখা গিয়েছিল, তবে ঘূর্ণিঝড় (Cyclone) শক্তির সিস্টেম এই প্রথম। সেনিয়ার বর্তমানে পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমমুখে ঘণ্টায় ৯ কিমি বেগে এগোচ্ছে, সর্বোচ্চ বাতাসের বেগ ৮৩ কিমি/ঘণ্টা। মালয়েশিয়ার জর্জ টাউন থেকে এর দূরত্ব প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার।

https://mausam.imd.gov.in/imd_latest/contents/cyclone.php

মালয়েশিয়া ইতিমধ্যে ট্রপিক্যাল স্টর্ম সতর্কতা জারি করেছে (Cyclone)। উত্তর সুমাত্রায় ভারী বৃষ্টি, বন্যার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে। একজন আবহাওয়া-উৎসাহী নিজের এক্সে লিখেছেন, “মালাক্কা প্রণালীর কাছে এমন ঘূর্ণিঝড় এর আগে প্রায় দেখা যায়নি, ফলে এটি নিঃসন্দেহে একটি ঐতিহাসিক আবহাওয়া-ঘটনা।”