বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষের বিরুদ্ধে বারাসত থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে (BJP Leader) পুলিশ সূত্রে খবর, বারাসত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অতিরিক্ত সুপার ডাঃ সুব্রত মণ্ডল এই অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৯ নভেম্বর, বুধবার রুদ্রনীল ঘোষ হঠাৎই বারাসত মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছে সরাসরি অতিরিক্ত সুপারের দপ্তরে ঢুকে পড়েন। সেখানে সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি করা এবং ডাঃ মণ্ডলকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন- CV Ananda Bose on Kalyan Banerjee: কল্যাণের অভিযোগে রাজভবনে তল্লাশি
ডাঃ সুব্রত মণ্ডল পুলিশকে জানিয়েছেন, রুদ্রনীল ঘোষের আচরণে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহের জেরে বাধ্য হয়েই থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগ দাখিলের পর বারাসত থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে (BJP Leader)। পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রুদ্রনীল ঘোষের সঙ্গে কারা কারা হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ, কর্মীদের বয়ান-সব দিক থেকেই তদন্ত এগোনো হচ্ছে।
অন্যদিকে, এই অভিযোগ (BJP Leader) পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়ে রুদ্রনীল ঘোষ দাবি করেছেন, স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে একাধিক অভিযোগ সাধারণ মানুষের কাছ থেকে তিনি পেয়েছিলেন। সেই কারণেই ওইদিন তিনি ডাঃ সুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে দেখা করতে যান। প্রায় আধ ঘণ্টা তাঁর ঘরে ছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি। রুদ্রনীলের কথায়, “সেদিন আমাদের মধ্যে সুস্থ স্বাভাবিক কথাবার্তাই হয়েছে। আরও দুই চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন। কোনওরকম হুমকি বা অসদাচরণ করার প্রশ্নই ওঠে না।”
এছাড়াও রুদ্রনীল আরও দাবি করেন, তাঁর সঙ্গে সদ্ভাবপূর্ণ আলাপচারিতা এবং তাঁর লেখালিখির প্রশংসা করার ‘দোষে’ ডাঃ সুব্রত মণ্ডলকে নাকি অন্যত্র বদলি করে দেওয়া হয়েছে। এর পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে পুলিশ ইতিমধ্যেই নড়েচড়ে বসেছে। তদন্ত সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত কোনও পক্ষের দাবিকেই মুখ্য ধরা হবে না বলে জানিয়েছে বারাসত থানা। পুরো ঘটনার ওপর নজর রাখছে জেলা প্রশাসনও।
