Kolkata : কলকাতার বাজারে বাংলাদেশের ইলিশ ,পুজোর আগে ক্রেতাদের ভিড় !

Published on: September 18, 2025

Join WhatsApp

Join Now

২৪ আওয়ার্স টিভি ডেস্ক : পুজোর মরসুমে অবশেষে এল সেই প্রতীক্ষিত খবর—কলকাতার বাজারে এসে পৌঁছল বাংলাদেশের ইলিশ। মঙ্গলবার গভীর রাতে বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকে মাছভর্তি ট্রাক। প্রথম দফায় আসে ৫০ মেট্রিক টন ইলিশ, পরবর্তী পর্যায়ে আরও ৫০ মেট্রিক টন। বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা ও হাওড়ার পাইকারি বাজারে মৎস্য ব্যবসায়ীরা নিলামে অংশ নেন এবং ইলিশ কিনে নেন।খুচরো বাজারে প্রতি কেজি ইলিশের দাম ধরা হচ্ছে ১৬০০ থেকে ১৭০০ টাকা। তবে চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের। বহু প্রতীক্ষার পরেই এই ইলিশ এসেছে—বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রক আগেই জানিয়েছিল, শারদোৎসবের আগে ভারতে পদ্মার ইলিশ পাঠানো হবে।

বিবৃতি জারির পর থেকেই কলকাতার বিভিন্ন বাজারে ক্রেতাদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছিল, কবে আসছে ইলিশ।বুধবার রাতেই বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১০টি ট্রাকে ইলিশ আসে। ফিস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে ধাপে ধাপে আমদানির পরিমাণ আরও বাড়বে। সব মিলিয়ে এই বছর ভারতে পৌঁছাবে প্রায় ১২০০ মেট্রিক টন পদ্মার ইলিশ।২০১৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত বাংলাদেশের জাতীয় রফতানি নীতি (২০১৫-১৮)-তে শর্তসাপেক্ষে ইলিশকে রফতানি পণ্যের তালিকায় রাখা হয়েছিল। তবে প্রথমবার বিদেশে ইলিশ রফতানির অনুমতি দেওয়া হয় ২০১৯ সালে। সেই থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত পুজোর মরসুমে ইলিশ এসেছে ভারতে।

যদিও শেখ হাসিনার সরকার ইলিশ রফতানির উপর সাধারণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল, দুর্গাপুজোর সময়ে প্রতিবছর বিশেষ অনুমতিতে ভারতে ইলিশ পাঠানো হচ্ছে।গত বছর বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রক প্রথমে প্রায় ৩,০০০ টন ইলিশ রফতানির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তবে পরে সেই পরিমাণ কমিয়ে ২,৪২০ টনে নামিয়ে আনা হয়। মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার এ বছর আবারও রফতানির পরিমাণ আরও কমিয়ে ১,২০০ টনে সীমিত করেছে। নির্দেশ অনুসারে, প্রতি কেজি ইলিশ ন্যূনতম সাড়ে ১২ ডলারে (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১০৫৭ টাকা) রফতানি করা যাবে।সব মিলিয়ে, পুজোর আগে কলকাতার বাজারে বাংলাদেশের ইলিশ আসায় উচ্ছ্বাস ফুটে উঠেছে ক্রেতাদের মধ্যে। দাম বেশি হলেও পদ্মার ইলিশ কিনতে ভিড় বাড়বে বলেই মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।