২৪ আওয়ার্স টিভি ডেস্ক : ফের শিশু মৃত্যুর ঘটনা বাঁকুড়ার পাত্রসায়েরে গত ৩ আগস্ট বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের ব্লকের বীরসিংহ গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাংপাড়া গ্রামে লাগাতার বৃষ্টিতে কাঁচা মাটির বাড়ির দেওয়াল ধসে মৃত্যু হয় কিরণ লোহার নামের তিন বছরের এক শিশুর।পরিবারের অভিযোগ, আবাস যোজনার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রের বঞ্চনায় তারা পাকা বাড়ি পাননি, ফলে মাটির বাড়িতে বসবাস করায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এই মৃত্যুর জন্য কেন্দ্র সরকারকেই দায়ী করে পরিবার।মৃত শিশুর পাশে দাঁড়ায় রাজ্য সরকার ও বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্য সরকার ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে পরিবারকে দু’দফায় মোট ৫ লক্ষ টাকা সহায়তা দেওয়া হয়।এই ঘটনার পর মৃত শিশুর পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে বীরসিংহ গ্রামে কেন্দ্রের বঞ্চনার প্রতিবাদে অবস্থান বিক্ষোভ করে বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেস।
এদিনের কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি সুব্রত দত্ত বিজেপির এমপি ও এমএলএদের উদেশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন,“এই কর্মসূচির পরও যদি কেন্দ্র- বাংলার মানুষকে বঞ্চনা করে, তবে আগামী দিনে বিজেপির এমপি-এমএলএদের ঘর থেকে বের হতে দেওয়া হবে না। ঘর থেকে বেরোলে তাদের ঘেরাও করবে তৃণমূল।”তিনি আরও কটাক্ষ করে বলেন, “প্রায় পাঁচ বছর হতে চলল, বিজেপির এমপি-এমএলএরা কেবল সোলার লাইট লাগাতে সক্ষম হয়েছে। তাই তাদের সোলার লাইট এমপি-এমএলএ বলা যায়।” জেলা সভাপতি আশ্বাস দেন,ওই গ্রামে আর ৮,৯ টি মাটির বাড়ি রয়েছে যা আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলা আবাস যোজনার মাধ্যমে পাকা করে দেওয়া হবে।অন্যদিকে, তৃণমূলের কর্মসূচি ও জেলা সভাপতির মন্তব্যের জবাবে সোনামুখী বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামী বলেন,“বড় বড় ভাষণ দিয়ে কিছু হবে না। রাজ্য সরকারও তো বাংলার বাড়ি প্রকল্পের টাকা দেয়, তবে ওই পরিবার বঞ্চিত হলো কেন? তৃণমূল আবাস যোজনার টাকা লুটে বড়লোকদের দিয়েছে। আগেও ঘেরাও কর্মসূচির কথা বলেছে, লাভ হয়নি। ২০২৬-এ জনগণ তৃণমূলকে ঘেরাও করবে। জেলা সভাপতি প্রচারে আসার জন্যই বিতর্কিত মন্তব্য করছেন।
