২৪ আওয়ার্স টিভি ডেস্ক : দীর্ঘ ৯ বছর পর অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান হল শিক্ষকদের। ৭ সেপ্টেম্বর স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফ থেকে হয়ে গেল নবম-দশম শ্রেনীর শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া। এবারের পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩লক্ষ ১৯ হাজার ৯১৯ জন। এই পরীক্ষার মোট কেন্দ্র ছিল ৬৩৬ টি। যার মধ্যে কলকাতাতেই ছিল ৪১ টি কেন্দ্র। সকাল ৮:৩০ থেকে ৯ টার মধ্যে কমিশন থেকে ১৪ টি গাড়িতে প্রশ্নপত্র পৌঁছে গিয়েছিল কলকাতার কেন্দ্রে। সকাল ১০ টার মধ্যে কেন্দ্রে পৌঁছে গিয়েছিলেন পরীক্ষার্থী।রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার স্কুল-কলেজগুলিতে দেখা গেল চাকরিপ্রার্থীদের ভিড়। সকাল হতেই প্রতিটি কেন্দ্রে ভিড় চোখে পড়েছিল চাকরিপ্রার্থীদের। পরীক্ষা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। পরীক্ষার্থীদের দ্রুর সহায়তার জন্য গড়ে তোলা হয়েছিলে জেলা ও মহকুমা কন্ট্রোল রুম।
মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি করেই ঢোকানো হয়েছিল পরীক্ষার্থীদের। বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে ব্যবস্থা করা হয়েছিল সিসিটিভির। পরীক্ষা সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর পরীক্ষার্থীদের একটাই আশা স্বচ্ছভাবে নিয়োগের। এর থেকে বোঝা যাচ্ছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল তুঙ্গে। বীরভূমের এক কলেজে দেখা গেল অযোগ্যদের রোল নম্বর হাইলাইট করে নোটিশ আকারে ঝুলিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ।আবার এই পরীক্ষার দিনই উঠে এল এক অন্য চিত্র। দেখা গেল ডবল ইঞ্জিন সরকার সহ বিহার, ঝাড়খন্ড থেকে প্রায় ৩১ হাজারেরও বেশি পরীক্ষার্থী এসেছিল বাংলায় পরীক্ষা দিতে চাকরিপ্রার্থীরা। বীরভূমের লাভপুর শম্ভুনাথ কলেজ সহ বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে দেখা গেল প্রচুর বাংলার বাইরের পরীক্ষার্থী।একদিকে বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রত্যেকটি সভায় ডবল ইঞ্জিন সরকার গঠনের বার্তা দিচ্ছেন। এরই মধ্যে বিজেপি শাসিত রাজ্যের পরীক্ষার্থীরা এরাজ্যে পরীক্ষা দিতে আসায় সরকারি চাকরিতে নিয়োগ নিয়ে বড়সড় প্রশ্নের মুখে মোদী রাজ্য।
