২৪ আওয়ার্স টিভি ডেস্ক : ২২ অগাস্ট রাজ্যে তিনটি রুটে মেট্রোর উদ্বোধন। মেট্রো রেলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ-চিঠি পাঠিয়ে ছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। কিন্তু জানা যায় সেই অনুষ্ঠান থাকছেন না মুখ্যমন্ত্রী । কিন্তু কেন? তবে কি তাঁর কাছে উন্নয়নের থেকেও বেশি গুরুত্ব রাজনিতির? এই প্রশ্ন নিয়েই শুরু শাসক বিরোধী তরজা।মেট্রো রেলের উদ্বোধন নিয়ে ফের সংঘাত তুঙ্গে। মেট্রোর উদ্বোধন দেশের উন্নয়ন, রাজ্যের উম্নয়ন, সেই উন্নয়ন মূলক কাজে কেন থাকছেন না রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?আগামী ২২ অগাস্ট রাজ্যে তিনটি রুটে মেট্রোর উদ্বোধন। সেই অনুষ্ঠানে থাকছেন প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব,কিন্তু থাকছেন না রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। আর তা নিয়েই শুরু রাজনৈতিক চর্চা।
প্রসঙ্গত, মেট্রো রেলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি পাঠিয়ে ছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী থাকছেন না সেই অনুষ্ঠানে। তবে এর আগেও বন্দে ভারত রেলের উদ্বোধন অনুষ্ঠান নিয়ে তৈরী হয়েছিল জোর জল্পনা। মঞ্চে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, রাজ্যপাল ও বিরোধী দলনেতার উপস্থিতিতে সেই মঞ্চে ওঠেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এবারেও রেলের অনুষ্ঠানে কেন থাকছেন না মুখ্যমন্ত্রী তা নিয়েই চড়তে শুরু করেছে পারদ। রাজনৈতিক পতাকা ছেড়ে রাজ্যের উন্নয়নে কেন থাকছেন না রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতাবন্দ্যোপাধ্যায়? তা নিয়েই চলছে জোর চর্চা।আগামী ২২ আগস্ট গ্রিন লাইনের শিয়ালদা-এসপ্ল্যানেড , অরেঞ্জ লাইনের রুবি -বেলেঘাটা এবং ইয়েলো লাইনের নোয়াপাড়া- বিমানবন্দর পর্যন্ত মেট্রো রুটের উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে । আর সেই অনুষ্ঠানেই উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৷ আমন্ত্রণ পত্রে রেলমন্ত্রী লিখেছেন, “যশোর রোড মেট্রো স্টেশনে উপরোক্ত কর্মসূচিতে আপনাকে উপস্থিত থাকার জন্য আমরা বিনীতভাবে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি ৷”
এদিকে তৃণমূলের অন্দরে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে, নীতিগত একাধিক কারণে মুখ্যমন্ত্রী এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন না, সম্প্রতি বিভিন্ন রাজ্যে বাংলাভাষী ভারতীয়দের যে অপমান , অত্যাচার চলছে । অর্থনৈতিক বঞ্চনার পাশাপাশি বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির বিরুদ্ধে চক্রান্ত চলছে বলে অভিযোগ রাজ্যের শাসকদলের । এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী কোনওভাবেই কেন্দ্রের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে একই মঞ্চে থাকতে চাননা বলে মনে করেছে রাজনৈতিক মহল।এদিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতার সাফ জবাব দিতে ছাড়েননি। অভিযোগ তুলে তিনি এও বলেন, রাজ্যের নানা অনুষ্ঠানেও বিরোধী দলের নেতা, সাংসদদের আমন্ত্রণ জানানো হয় না। আর বিরোধী দলনেতা উপস্থিত থাকলে সেখানে মাননীয়া থাকেন না। এমনটাই জানান শুভেন্দু অধিকারি তবে মুখ্যমন্ত্রী সৌজন্যের ধার ধরেন না, তিনি উন্নয়ন মূলক কাজে যোগ দেন না। ঠিক এই ভাষাতেই মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন বিজেপি নেতা কৌস্তভ বাগচী, এমনকি বলতে ছাড়েননি বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য । মেট্রোর উদ্বোধন দেশের উন্নয়ন, রাজ্যের উম্নয়ন, সেই উন্নয়ন মূলক কাজে, রাজনীতির আঙ্গিনাকে ভুলে শুধু মাত্র উন্নয়নের স্বার্থেই কি রাজ্যের যোগ দেওয়া উচিত নয়? সেই প্রশ্নই তুলছে বিরোধীরা।
